মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মার্চ/ ২০১৮খ্রি: মাসের সভার কার্যবিবরণী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, হবিগঞ্জ

(সাধারণ শাখা)

www.habiganj.gov.bd    

 

 

                  জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির  মার্চ/ ২০১৮খ্রি: মাসের সভার কার্যবিবরণী

 

              সভাপতি                 : মাহমুদুল কবীর মুরাদ

                                             জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জ  

 

সভার তারিখ ও সময় : ১৮ মার্চ ২০১৮ খ্রিঃ;  সকাল  ১০.০০ ঘটিকা  

স্থান                      : জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষ, হবিগঞ্জ।

উপস্থিতি               :           পরিশিষ্ট-‘ক’

            উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে সভার কার্যক্রম শুরু করা হয় ।  জেলা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর 1ম সভা হওয়ায় সকলের সাথে পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অতঃপর  জনাব ফজলুল জাহিদ পাভেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও সদস্য-সচিব, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বিগত 18.02.২০১8খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। কোন সংযোজন-বিয়োজন না থাকায় বিগত সভার কার্যবিবরণী সর্বসম্মতিক্রমে দৃঢ়ীকরণ হয়। অতঃপর গত সভার সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, বিভিন্ন বিভাগের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনান্তে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়।

ক্রঃ

আলোচনা

সিদ্ধান্ত

বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ

আইন-শৃঙ্খলা

1

পুলিশ বিভাগ :

পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ এর প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান যে, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো নিরাপত্তা। এ জেলার জনগণের জানমাল নিরাপদ রাখার দায়িত্ব হলো পুলিশের। যে কোন ধরনের সমস্যা হলে তাৎক্ষনিকভাবে আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেন। তাছাড়া তিনি আরো বলেন পুলিশ বাহিনীর কিছু নিজস্ব উন্নয়ন কর্মকান্ড রয়েছে । তিনি পুলিশ ব্যারাক, তদন্ত কেন্দ্র, ফায়ারিং কেন্দ্র এর জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করেন।

 উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

পুলিশ সুপার,হবিগঞ্জ।

2

আনসার ও ভিডিপিঃ

জেলা কমান্ড্যান্ট, আনসার ও ভিডিপি , হবিগঞ্জ জানান জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। তাছাড়া তিনি যে কোন বিভাগের প্রয়োজনে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের বিধি মোতাবেক কাজে লাগাতে অনুরোধ করেন।  

নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

কমান্ড্যান্ট, আনসার ও ভিডিপি, হবিগঞ্জ।

স্থানীয়  সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ

3

জেলা পরিষদ :           

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, হবিগঞ্জ জানান  ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা এডিবি’র বরাদ্দ  পাওয়া গিয়াছে । প্রাপ্ত বরাদ্দ দ্বারা বিধি মোতাবেক প্রকল্প গ্রহণ করার কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। তিনি বলেন এডিপিসহ মোট 700 প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পের সংখ্যা বেশী হওয়ার কারণে জেলা পরিষদের কাযক্রম কিছুটা মন্থর।  তথাপিও জেলা পরিষদ প্রকল্পসমূহের কাজ  বিধি মোতাবেক চলছে কি না তা সার্বক্ষনিক নজরদারী করছে। তিনি আরো বলেন জেলা পরিষদের নিজস্ব ভূমি কলাপাতা রেষ্টুরেন্ট এ মাল্টিপারপাস ভবন নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া তিনি সদরে বহুতল ভবন আধুনিক ডাক বাংলো নির্মাণ করা হবে মর্মে জানান। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ  প্রতিটি উপজেলায় এবং জেলা সদরে আধুনিক ডাক বাংলো নির্মাণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন প্রতিটি প্রকল্প জনবান্ধব হতে হবে এবং প্রকল্পের কাজের গুনগত মান বজায় রাখতে হবে। তাছাড়া তিনি জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে প্রকল্প গ্রহণের অনুরোধ জানান।

প্রাপ্ত বরাদ্দ দ্বারা দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ এবং নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, হবিগঞ্জ

 

 

স্থানীয় সরকার :

উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, হবিগঞ্জ জানান যে, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়নের তথ্য বাতায়ন নতুন ফরমেটে হালনাগাদকরণ এবং উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে তথ্য আপলোড করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে 6.11.17 তারিখের 1030(165) এবং 07.11.17 তারিখের 1032(166) নং স্মারকে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল) এবং পৌর মেয়র/ প্রশাসককে এ ব্যাপারে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।  তিনি  এ বিষয়ে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।  উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদসমূহের গৃহীত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা 2017-18 নিজ নিজ ওয়েবসাইটে আপলোড নিশ্চিতকরণের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সিলেট 18.01.18 তারিখের 25 নং স্মারকে অনুরোধ করেছেন।তিনি এলজিএসপির প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( সকল) কে অনুরোধ করেন এবং প্রকল্প শুরুর আগে এবং পরে ছবি তুলে নথিতে সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ করেন। সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়নের বাতায়নসমূহ হালনাগাদ না করা হলে জনগণ তাৎক্ষণিক সেবা থেকে বঞ্চিত হবে এবং সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্থ হবে। তিনি উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন তথ্য বাতায়ন এবং ডিজিটাল সেন্টার হালনাগাদকরণসহ নিয়মিত তথ্য আপলোডের জন্য অনুরোধ করেন।

(ক)উপজেলা, পৌরসভা ,ইউনিয়ন তথ্য বাতায়ন এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের তথ্যাদি নিয়মিত হালনাগাদকরণ এবং নিয়মিত তথ্য আপলোডের জন্য এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা 2017-18 নিজ নিজ ওয়েবসাইটে আপলোড নিশ্চিতকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

 

 

(খ)এলজিএসপির প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনের জন্য এবং প্রকল্প শুরুর আগে এবং পরে ছবি তুলে নথিতে সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক) উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল),/

পৌর মেয়র/ প্রশাসক(সকল)

হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

 

(খ)উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( সকল)

হবিগঞ্জ।

 

উপজেলা পরিষদ :

(ক)উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাহুবল জানান মিরপুর চৌমুহনী নামক স্থানে জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় উদ্যোগে 26 লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাহুবল উপজেলায় ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু জেলা পরিষদের পরিত্যক্ত যাত্রী ছাউনির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। তিনি জরুরিভিত্তিতে উক্ত যাত্রী ছাউনি অপসারনের জন্য অনুরোধ করেন।

(খ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চুনারুঘাট বলেন, চুনারুঘাট সদরে যানজট সমস্যা প্রকট। এ সমস্যা সমাধানে তিনি ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

 

(গ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নবীগঞ্জ জানান, জেলা পরিষদের মাধ্যমে নবীগঞ্জ রাস্তায় একটি ব্রীজ তৈরী করা হয়েছে কিন্তু এ্যাপ্রোচে মাটি দেওয়া হয়নি। ফলে জনগণের জন্য চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি উক্ত ব্রীজের এ্যাপ্রোচে মাটি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

(ঘ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মাধবপুর বলেন , মাধবপুর উপজেলা হলো সিলেট বিভাগের প্রবেশদ্বার । প্রবেশ পথে তোরণ নির্মাণের অনুমতি চেয়ে বার বার  সড়ক ও জনপথ বিভাগকে পত্র দিলেও অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। ফলে সৌন্দর্যবর্দ্ধক আকর্ষণীয় একটি তোরণ নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জরুরিভিত্তিতে তোরণ নির্মাণের অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন।  তিনি আরো বলেন মাধবপুর-হবিগঞ্জ রাস্তার মাধবপুর অংশে 08টি পুরাতন বাশেঁর তোরণ রয়েছে  এবং এই বাশেঁর তোরণের কারনে যেকোন সময়  মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে মর্মে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।

(ঙ) উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ আরো জানান, উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ‘মিড-ডে-মিল’ চালু করা হয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস পরিচালনার হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনিটরিং অব্যাহত আছে।     

(ক) জরুরিভিত্তিতে পরিত্যক্ত যাত্রী ছাউনি অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

(খ)চুনারুঘাট সদরে যানজট সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(গ) নবীগঞ্জ রাস্তায় নির্মিত ব্রীজে এ্যাপ্রোচে মাটি দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(ঘ)-1। মাধবপুর উপজেলার প্রবেশদ্বারে সৌন্দযবর্দ্ধক তোরণ নির্মাণের অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(ঘ)-2। মাধবপুর-হবিগঞ্জ রাস্তার মাধবপুর অংশে 08টি পুরাতন বাশেঁর তোরণ জরুরিভিত্তিতে অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ঙ) যে সকল বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া নেই সে সকল বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগে মাল্টিমিডিয়া সরবরাহ করাসহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে  মাল্টিমিডিয়া  ক্লাসের  হার বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক)প্রধান নির্বাহী  কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ,

হবিগঞ্জ। 

 

 

(খ) পুলিশ  

     সুপার, হবিগঞ্জ।

 

 

(গ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, হবিগঞ্জ।

 

(ঘ)-1। নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ,হবিগঞ্জ।

 

(ঘ)-2। নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, হবিগঞ্জ।

 

(ঙ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল)/জেলা শিক্ষা অফিসার/জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ।

 

(ক) উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, হবিগঞ্জ সদর বলেন  সদর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পদ শূন্য থাকায় উন্নয়ন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। তিনি জরুরিভিত্তিতে সদর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদায়নের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন  মার্চ-এপ্রিলের মধ্যেই বন্যা আসে। বন্যা শুরু হলে বা বাধঁ ভেঙ্গে জনগণের জানমালের ক্ষতি হলে  সংশ্লিষ্ট সকলকেই জবাবদিহি করতে হবে। কাজেই নদীর বাঁধসমূহের নির্মাণ/ মেরামত কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে এবং বাঁধসমূহের নির্মাণ/মেরামত যাতে মজবুত হয় সে দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। এ বিষয়ে সভাপতি বলেন ,অতিদ্রুত হবিগঞ্জ জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধঁ মেরামতের নিমিত্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পত্র প্রেরণ করা হবে। অনতি বিলম্বে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানা যাবে মর্মে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

(খ) উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বাহুবল এর প্রতিনিধি জানান যে, উপজেলার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে  চলছে।

 

(গ) উপজেলা চেয়ারম্যান , মাধবপুর  জানান যে, মাধবপুর উপজেলার উপর দিয়ে ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে সড়ক রয়েছে বিধায় অনেক সময় মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটে কিন্তু মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ 32 জন ডাক্তারের পদ থাকলেও মাত্র 06 জন ডাক্তার রয়েছেন। এর মধ্যে আবার 02 জন প্রেষণে হবিগঞ্জ সদরে কাজ করেন। তিনি মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পর্যাপ্ত ডাক্তার পদায়নের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন মাধবপুর-চৌমুহনী ধর্মঘর রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী। তিনি জরুরিভিত্তিতে উক্ত রাস্তা মেরামতের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন বর্তমানে মাধবপুর সাব রেজিস্টার অফিস সবচেয়ে বেশী রাজস্ব দিচ্ছে কিন্তু এ অফিসের কোন নিজস্ব ভবন নেই । এখনো এ অফিস ভাড়া ভবনে পরিচালিত হচ্ছে । তিনি মাধবপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

(ঘ) উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, চুনারুঘাট জানান , রেমা চা বাগানের মালিক বাগানে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীসহ শ্রমিকদের বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাধাঁ দিচ্ছে। তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন  বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা। কিন্তু বাগান কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সংযোগে বাধাঁ দেয়ার অর্থ হলো সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে বাধাঁ দেয়া। তিনি জরুরিভিত্তিতে রেমা চা বাগানে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীসহ শ্রমিকদের বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

 

(ঙ) উপজেলা চেয়ারম্যান,নবীগঞ্জ বলেন ,নবীগঞ্জ পয়েন্টে 02টি গাছের কারনে সমস্যা হচ্ছে। তিনি গাছ দুটি কাঁটার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে উপজেলায় কর্মরত অফিসাররা উপস্থিত থাকেন না। তিনি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি বলেন, জাতীয় অনুষ্ঠানে অফিসাররা অনুপস্থিত থাকা খুবই দুঃখজনক। তিনি অনুপস্থিত অফিসারদের ব্যাপারে সরাসরি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পত্র প্রেরণ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে অনুলিপি প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন।

       

  

(চ) উপজেলা চেয়ারম্যান, আজমিরীগঞ্জ জানান যে, এপ্রিল থেকে বন্যা শুরু হয়। কাজেই পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে কাবিটা নীতির আওতায়  মেরামত/সংস্কারকৃত বাধঁসমূহ পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। তাছাড়া তিনি খাল খননে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে সম্পৃক্ত করে প্রকল্প গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।  

 

 

 

 

(জ) উপজেলা চেয়ারম্যান বানিয়াচং বলেন বানিয়াচং উপজেলায় 20টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবন নির্মাণ/সংস্কারের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। তিনি  আরো বলেন 90 কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরে মকার হাওর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্প যাতে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখা  প্রয়োজন। তিনি এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করেন।

 

 

(ক)-1। বন্যা শুরু হওয়ার পূর্বেই নদীর বাঁধসমূহের নির্মাণ/মেরামত করার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং বাধঁ মেরামত/ সংস্কার যাতে মজবুত হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ)বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধঁ মেরামতের নিমিত্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে পত্র প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

(খ) উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(গ)-1। মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পর্যাপ্ত ডাক্তার পদায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(গ)-2। মাধবপুর-চৌমুহনী ধর্মঘর রাস্তা জরুরিভিত্তিতে  মেরামতের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(গ)-3। মাধবপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

(ঘ)জরুরিভিত্তিতে রেমা চা বাগানে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীসহ শ্রমিকদের বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

 

 

(ঙ)-1 । নবীগঞ্জ পয়েন্টে 02টি  গাছ কাঁটার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ঙ)-2। বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা অফিসারদের ব্যাপারে সরাসরি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পত্র প্রেরণ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে অনুলিপি প্রদানের  জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(চ)-1। পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে কাবিটা নীতির আওতায়  মেরামত/সংস্কারকৃত বাধঁসমূহ পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য  অনুরোধ করা হয়।

(চ)-2।  খাল খননে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে সম্পৃক্ত করে প্রকল্প গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(জ)-1। বানিয়াচং উপজেলার 20টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(জ)-2। মকার হাওর প্রকল্প যাতে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(ক)-1। নির্বাহী প্রকৌশলী   

 পানি উন্নয়ন বোর্ড/

  উপজেলা নির্বাহী   

  অফিসার (সকল)     

   হবিগঞ্জ।

(ক)-2। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক),

হবিগঞ্জ।

 

 

(খ) উপজেলা চেয়ারম্যান,বাহুবল,

হবিগঞ্জ।

(গ)-1। সিভিল সার্জন,হবিগঞ্জ।

 

(গ)-2। নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি,হবিগঞ্জ।

 (গ)-3। নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ,হবিগঞ্জ।  

 

 

 

(ঘ) জি এম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, শায়েস্তাগঞ্জ,হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

(ঙ)-1। নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ,হবিগঞ্জ।

(ঙ)-2। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নবীগঞ্জ,হবিগঞ্জ।

 

 

 

(চ)-1। উপজেলা নির্বাহী অফিসার

( সকল ),হবিগঞ্জ।

 

 

 

(চ)2।নির্বাহী,প্রকৌশলী

বিএডিসি  (সেচ) হবিগঞ্জ।

 

(জ)-1। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,

হবিগঞ্জ।

 

(জ)-2। নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড,হবিগঞ্জ।

  

পৌরসভাঃ

হবিগঞ্জ পৌরসভা :

মেয়র, হবিগঞ্জ পৌরসভা জানান , হবিগঞ্জ পৌরসভায় বিএমডিএফ প্রকল্পের আওতায় ৭ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মোট ১৫টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৮টি রাস্তা ও ৬টি ড্রেন ও ১টি কিচেন মার্কেট নির্মাণের কাজ এবং ইউজিপ-৩ প্রকল্পের আওতায় লট নং-১ এর আওতায় ৫ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১১টি রাস্তা ও ৫টি ড্রেন নির্মাণের কাজ  100%  সম্পন্ন হয়েছে। লট নং-০২ এর আওতায় প্রায় 6 কোটি 1 লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪টি রাস্তা ও ৮টি ড্রেন নির্মাণ কাজের পুনঃদরপত্র মূল্যায়ন করে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে এবং নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) আওতায় প্রায় 09 কোটি টাকা ব্যয়ে 12টি রাস্তা ও 3টি ড্রেইন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।  ইতোমধ্যে 11 টি  রাস্তার  এবং 02 টি ড্রেনের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। বি,এম,ডি,এফ প্রকল্পের আওতায় 3,64,00,000/- টাকা ব্যয়ে 08টি রাস্তা, 6টি ড্রেইন এবং 01টি কিচেন মার্কেট নির্মাণ কাজের অগ্রগতি প্রায় শতভাগ। তিনি চলমান উন্নয়নমূলক প্রকল্প সমূহ সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণকে পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন কিবরিয়া অডিটোরিয়াম এলজিইডি কর্তৃক নির্মাণ করে পৌরসভার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত অডিটোরিয়ামের 18টি এসি সর্ম্পূনভাবে বিকল । তাছাড়া বিল্ডিং এরও অনেক সমস্যা রয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি মহোদয়ের বক্তব্য অনুযায়ী এ অডিটোরিয়াম মেরামত/সংস্কার এর বাজেট না থাকলে পৌরসভা থেকে মেরামত/সংস্কার করা সম্ভব তবে এলজিইডির মাধ্যমে এর প্রাক্কলন দাখিল করতে হবে। তিনি জরুরিভিত্তিতে এলজিইডির মাধ্যমে কিবরিয়া অডিটোরিয়ামের যাবতীয় মেরামত/সংস্কার কাজের প্রাক্কলন দাখিল করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন সার্কিট হাউজের সামনে রাস্তায় ফুটো হয়ে পানি বের হয় যা সার্কিট হাউজের ট্যাংকিতে প্রবেশ করছে এবং সার্কিট হাউজে অবস্থানরত ভিভিআইপিরা ব্যবহার করছেন। এ বিষয়টি বিগত সভায় আলোচনা করার পরও অদ্যাবধি গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না,যা খুবই দুঃখজনক। তিনি আরো বলেন হবিগঞ্জ শহরে ময়লা ফেলার কোন নির্ধারিত জায়গা নেই ফলে নতুন স্টেডিয়ামের সন্নিকটে বাইপাস সড়কের পাশে ময়লা ফেলা হচ্ছে যা খুবই দৃষ্টিকটু এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরুপ।  তিনি আরো বলেন 2013 সালে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে শহরের বাইরে আতুকুড়া মৌজায় ময়লা ফেলার জন্য জায়গা ক্রয় করা হয়েছে কিন্তু স্থানীয় জনগণের বিরোধিতার কারণে ডাম্পিংস্টেশন করা সম্ভব হয়নি । তিনি এ ব্যাপারে সহযোগিতার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য পৌরসভা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু শহরের পশ্চিম দিকে পৌরসভার জায়গার বাইরে ড্রেন খনন করা সম্ভব না হওয়ায় শহরের জলাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে। তিনি এলজিইডি, বিএডিসি (সেচ), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের মাধ্যমে পৌরসভার বাইরের জায়গায় ড্রেন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি জে কে এন্ড এইচ কে হাই স্কুল এন্ড কলেজের সামনে পৌরসভার সিটিজেন চার্টার স্থাপনের অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি আরো বলেন হবিগঞ্জ শহর দিয়ে প্রবাহিত খোয়াই নদীর মাছুলিয়া হরিপুর, তেতৈয়া রামপুর সহ বেশ কয়েকটি ঝুকিপূর্ণ পয়েন্টে সামান্য বৃষ্টি হলেই বিপদজনক অবস্থা সৃষ্টি হয়। শহর রক্ষা বাধেঁর কারণে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। এসব পয়েন্টে বাধঁ ভাঙ্গলে শহরের অপূরনীয় ক্ষতি হবে। তিনি জরুরিভিত্তিতে শহর রক্ষা বাধঁ মেরামতের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় 47 লক্ষ টাকা পাওনা ট্যাক্স এবং পানির বিল পরিশোধের জন্য অনুরোধ করেন।  জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন কিবরিয়া অডিটোরিয়ামের মেরামত/সংস্কার না করলে অডিটোরিয়ামটি ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি এলজিইডির টেকনিশিয়ান দ্বারা প্রাক্কলন প্রস্তুত করে পৌরসভার নিকট হস্তান্তরের অনুরোধ করেন। তিনি অতিবিলম্বে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তার পানির ছিদ্র বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন আধুনিক প্রযুক্তিতে ময়লার ডাম্পিংস্টেশন তৈরী করা হলে স্থানীয় জনসাধারণের আপত্তি থাকবে বলে মনে হয় না।আধুনিক প্রযুক্তিতে ময়লার ডাম্পিংস্টেশন তৈরী করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।  তিনি শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের স্বার্থে শহরের পশ্চিম এবং পূর্ব দিকে পৌরসভার বাইরের জায়গায় ড্রেন নির্মাণের ব্যাপারে পৌরসভা , এলজিইডি, বিএডিসি (সেচ) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল একসাথে বসে আলোচনা পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি শহরের ড্রেনগুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য এবং মশা নিধনে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য অনুরোধ করেন। তাছাড়া তিনি শহর রক্ষা বাঁধ বৃষ্টি শুরু হওয়ার পূর্বেই মেরামত/সংস্কার করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন পৌরসভা থেকে নাগরিক সেবা পেতে হলে পৌরসভার ট্যাক্স সময়মতো পরিশোধ করতে হবে। তিনি সকলকে পৌরসভার বকেয়া ট্যাক্স ও বিল পরিশোধের জন্য অনুরোধ করেন।

(ক) বিধি মোতাবেক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও কাজের গুণগত মান বজায় রাখার লক্ষ্যে মনিটরিং অব্যাহত রাখার জন্য   অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

(খ)কিবরিয়া অডিটোরিয়ামের যাবতীয় মেরামত/সংস্কার কাজের জন্য এলজিইডির টেকনিশিয়ান দ্বারা প্রাক্কলন প্রস্তুত করে পৌরসভার নিকট হস্তান্তরের অনুরোধ করা হয়।

 

(গ)সার্কিট হাউজের সামনে রাস্তার গর্ত অতি দ্রুত বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

(ঘ) আধুনিক প্রযুক্তিতে ময়লার

ডাম্পিং স্টেশন তৈরী করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 (ঙ)শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের স্বার্থে শহরের পশ্চিম এবং পূর্ব দিকে পৌরসভার বাহিরের জায়গায় ড্রেন নির্মাণের ব্যাপারে পৌরসভা ,এলজিইডি, বিএডিসি (সেচ), এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল একত্রে আলোচনা পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(চ) শহরের ড্রেনগুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য এবং মশা নিধনে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

(ছ)শহর রক্ষা বাঁধ বৃষ্টি শুরু হওয়ার পূর্বেই মেরামত/সংস্কার করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(জ) বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে পৌরসভার পাওনা ট্যাক্স এবং অন্যান্য বিল পরিশোধের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

(ক) মেয়র, হবিগঞ্জ পৌরসভা।

 

 

 

 

 

 

(খ) নির্বাহী প্রকৌশলী,

এলজিইডি, হবিগঞ্জ ।

 

 

 

 

 

 

(গ) নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, হবিগঞ্জ

 

 

 

 

 

 

(ঘ) মেয়র,হবিগঞ্জ পৌরসভা,হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

(ঙ) মেয়র,হবিগঞ্জ পৌরসভা,হবিগঞ্জ।

নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি/বিএডিসি

(সেচ)/জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল  অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ।

 

 

 

(চ) মেয়র,হবিগঞ্জ পৌরসভা, হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

 

(ছ) নির্বাহী প্রকৌশলী,পানি উন্নয়ন বোর্ড, হবিগঞ্জ।

 

(জ) বিভাগীয় প্রধান (সকল)

 

 

 

শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা :

মেয়র, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা উপস্থিত না থাকায় এ পৌরসভার কোন আলোচনা হয়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত (প্রতি ইংরেজি মাসের ৩য় রবিবার) তারিখ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত জেলার সর্বোচ্চ ফোরামের এ সভায় মেয়রের অনুপস্থিতির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

উন্নয়ন কাজের হালনাগাদ তথ্যসহ সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়।

মেয়র, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা।

মাধবপুর পৌরসভা :

মেয়র, মাধবপুর পৌরসভার প্রতিনিধি জানান ,02টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্প দুটির প্রাক্কলিত ব্যয় যথাক্রমে 9 কোটি এবং 5 কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।   

উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ নিয়মিত পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

মেয়র,

মাধবপুর পৌরসভা।

নবীগঞ্জ পৌরসভা :

   

মেয়র নবীগঞ্জ পৌরসভা জানান , প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে।   

উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ নিয়মিত পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

মেয়র, নবীগঞ্জ পৌরসভা।

           
 

 

 

১০

চুনারুঘাট পৌরসভা :

   

মেয়র চুনারুঘাট পৌরসভা  উপস্থিত না থাকায় এ পৌরসভার কোন আলোচনা হয়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত (প্রতি ইংরেজি মাসের ৩য় রবিবার) তারিখ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত জেলার সর্বোচ্চ ফোরামের এ সভায় মেয়রের অনুপস্থিতির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

উন্নয়ন কাজের হালনাগাদ তথ্যসহ সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। 

মেয়র, চুনারুঘাট পৌরসভা।

11

আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা :

   

প্রশাসক, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা  জানান , আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার  অর্থায়নে মুক্তিযোদ্ধা  স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের নির্ধারিত স্থান কতিপয় প্রভাবশালীদের দখলে থাকার কারনে টেন্ডার করা সম্ভব হয়নি। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তাছাড়া তিনি হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল মুক্ত করণের জন্য অনুরোধ করেন।

(ক)মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের নির্ধারিত স্থান দখলমুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয় ।

(খ)হবিগঞ্জ আঞ্চলিক  পাসপোর্ট অফিসকে দালালমুক্ত করার জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আজমিরীগঞ্জ

 

(খ) বিজ্ঞ অতিরিক্ত 

      জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,

     হবিগঞ্জ।

১2
 

প্রকৌশল ও উন্নয়ন বিভাগসমূহ :

এলজিইডি:

নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, হবিগঞ্জ জানান, এলজিইডি’র আওতায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে এবং নবীগঞ্জ উপজেলাধীন মার্কুলী-কাজিরবাজার রাস্তাটির ২৪কি: মি: কাজ দুইটি প্যাকেজের আওতায় চলমান রয়েছে। কাজের ভৌত অগ্রগতি সন্তোষজনক। আগামী ফেব্রুয়ারি/18 মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন আজমিরীগঞ্জ- শিবপাশা রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।  তাছাড়া মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী এবং বহরা রাবার ড্যামের কাজ শেষ পর্যায়ে । ব্যাগ ফোলানোর এক্সপার্ট এর সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে । 25.03.18 তারিখের মধ্যেই রাবার ড্যামের ব্যাগ ফোলানোর কাজ শেষ হবে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন, কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রাবার ড্যামসমূহের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। তিনি রাবারড্যামসমূহের বাকী কাজ দ্রুত সম্পন্নের জন্য অনুরোধ করেন। 

(ক)সকল উন্নয়ন কাজের গুণগতমান বজায় রাখার লক্ষ্যে মনিটরিং অব্যাহত রাখা এবং স্থানীয় প্রশাসন/

জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

(খ)রাবার ড্যামসমূহের বাকী কাজ দ্রুত সম্পন্নের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

(ক)নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

(খ)নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, হবিগঞ্জ।

 

১3

গণপূর্ত বিভাগ :

নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, হবিগঞ্জ এর প্রতিনিধি জানান যে, ফেব্রুয়ারি/18 মাস পর্যন্ত গণপূর্ত বিভাগের অধীনে (ক) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ ( 2য় পর্যায়) 6ষ্ট তলা হতে 10 তলা পর্যন্ত উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ কাজ 40% সম্পন্ন হয়েছে। (খ) মহিলা কারারক্ষীদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ 35% সম্পন্ন হয়েছে।(গ)মাধবপুর উপজেলার মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কাজ 55% সম্পন্ন হয়েছে।(ঘ)সহকারী পুলিশ সুপার( দক্ষিণ সার্কেল) এর অফিস কাম বাস ভবন নির্মাণ কাজ 80% সম্পন্ন হয়েছে।(ঙ) নারী পুলিশ ব্যারাক নির্মাণ কাজ 23% সম্পন্ন হয়েছে।(চ) মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র,লাখাই উপজেলার নদী ফায়ার সার্ভিস নির্মাণ প্রকল্প, চুনারুঘাট উপজেলার ফায়ার সার্ভিস  নির্মাণ প্রকল্প, লাখাই উপজেলার মাদনা নৌ পুলিশ ফাঁড়ী নির্মাণ প্রকল্প, বানিয়াচং উপজেলার মার্কুলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ী নির্মাণ প্রকল্প,বাহুবল উপজেলার ফায়ার সার্ভিস  নির্মাণ প্রকল্প এবং হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন (একাংশ) প্রকল্পের প্রত্যেকটির কাজ 55%সম্পন্ন হয়েছে। (ছ) বানিয়াচং উপজেলার 5/6 নং বানিয়াচং ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ 70% এবং রঘুচৌধুরী পাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ 35% সম্পন্ন হয়েছে।(জ) নবীগঞ্জ উপজেলার কাজির বাজার ,বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট এবং মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রত্যেকটির নির্মাণ কাজ 90% সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো বলেন উল্লেখিত উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাতীত অত্র বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য এবং সরকারি বরাদ্দ যাতে সঠিক সময়ে পাওয়া যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যথাসময়ে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ , হবিগঞ্জ।

14

সড়ক ও জনপথ বিভাগ :

নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ বিভাগ, হবিগঞ্জ এর প্রতিনিধি জানান যে, বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। চলতি অর্থ বছরে 58.16 কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। তিনি বলেন এ রাস্তায় প্রতি 500 মিটার পর পর র‌্যাম নির্মাণ করা হবে। জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প সিলেট জোন এর আওতায় এ সড়ক বিভাগের নতুন বাজার-সাটিয়াজুরী সড়ক এবং মুরারবন্দ সড়ক মজবুতিকরণসহ উন্নীত করা হবে। অধিকন্তু এ প্রকল্পের অধীনে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের 02টি বেইলী সেতুর পরিবর্তে আরসিসি সেতু তৈরী করার প্রস্তাব রয়েছে। আশা করা যায় অতি শীঘ্রই প্রকল্পটি পাশ হবে। এ সড়ক বিভাগের অধীন সড়কের উন্নয়নের জন্য পিএমপি ( মেজর) এর আওতায় অতি শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের উন্নয়ন কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। 4টি ব্রীজসহ কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে শীঘ্রই উদ্বোধন করা হবে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ  প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী  স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

নির্বাহী প্রকৌশলী,

সড়ক  ও জনপথ বিভাগ, হবিগঞ্জ।

 

 

 

15

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড:

নির্বাহী প্রকৌশলী, বা.পা.উ.বো, হবিগঞ্জ জানান যে, এ জেলার ফেব্রুয়ারি/২০১8খ্রি: মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে (ক) উন্নয়ন খাতে হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় (১) নবীগঞ্জ উপজেলার হলিমপুর নামক স্থানে মাকালকান্দি হাওর এলাকায় 18.080 থেকে 20.713 কি.মি পর্যন্ত মোট  2,633 মিটার ডুবন্ত বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ কাজ প্রায় 87% সম্পন্ন হয়েছে (২) বানিয়াচং উপজেলার হলিমপুর নামক স্থানে মাকালকান্দি হাওর এলাকায় 17.380 থেকে 18.080 কি.মি পর্যন্ত মোট ৭০০ মিটার ডুবন্ত বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ কাজ প্রায় 90% সম্পন্ন হয়েছে (3) নবীগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর নামক স্থানে মাকালকান্দি হাওর এলাকায় 35.000 থেকে 37.450 কি.মি.পর্যন্ত মোট 2,450মিটার ডুবন্ত বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ কাজ প্রায় 90% সম্পন্ন হয়েছে।  (খ) অনুন্নয়ন খাতে খোয়াই নদী প্রকল্পের আওতায় (৪) লাখাই উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকার হেলারকান্দি নামক স্থানে খোয়াই নদীর বাম তীরে বাঁধের ৭5.3০০ থেকে ৭5.52০ কি.মি. পর্যন্ত 0.220কি: মি:  স্লোপ প্রোটেকশনসহ বিকল্প বাঁধ নির্মাণ কাজ প্রায় 25% সম্পন্ন হয়েছে।  তিনি আরো জানান , কাবিটার মাধ্যমে বাস্তবায়িত কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে হাওরের কাজ বাস্তবায়নের জন্য নীতিমালা এবং উপজেলা ওয়ারি মোট 163.26 লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়াছে। নীতিমালা অনুযায়ী জেলা কমিটি এবং উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের নেতৃত্বে 55টি পিআইসি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন হবিগঞ্জ জেলার 08টি উপজেলার প্রস্তুতকৃত স্কীম অনুযায়ী অতিরিক্ত 118.69 লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়াছে। 55টি পিআইসির মধ্যে 54টির অবস্থা সন্তোষজনক । আজমিরীগঞ্জের 01টি পিআইসির কাজ পরে শুরু হয়েছে। পিআইসিসমূহের কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শেষ হবে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন,কাবিটা কর্মসূচীর আওতায় জমি যার বাধঁ তার এ নীতিতে  জমির মালিক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে গঠিত পিআইসি এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ বাধঁসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বৃষ্টি শুরু হওয়ার পূর্বেই মেরামত/সংস্কার করতে হবে। ।নতুবা পুণরায় আগাম বন্যার কারণে কৃষকদের ফসলহানির সম্ভাবনা থেকে যাবে। তিনি দ্রুতগতিতে বাঁধসমূহ মেরামত/ সংস্কারের জন্য অনুরোধ করেন। 

(ক) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে হাওর এবং অন্যান্য এলাকায় বাঁধ নির্মাণ/খাল খনন কাজের প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ) কাবিটা কর্মসূচীর আওতায় জমি যার বাধঁ তার এ নীতিতে  জমির মালিক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে গঠিত পিআইসি এর মাধ্যমে  ঝুঁকিপূর্ণ বাধঁসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বৃষ্টি শুরু হওয়ার পূর্বেই মেরামত/সংস্কার করার অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী, বা.পা.উ.বো, / উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল) হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

 

      

১6

বিএডিসি (ক্ষুদ্র সেচ):

নির্বাহী প্রকৌশলী, বিএডিসি (ক্ষুদ্র সেচ), হবিগঞ্জ জানান সিলেট বিভাগ ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় 2017-18 অর্থ বছরের  27.70 কিঃমিঃ খাল পুনঃখনন প্রায় 92.78% সম্পন্ন হয়েছে। 02টি ওয়াটার কন্ট্রোল স্ট্রাকচার নির্মাণ কাজ 80% সম্পন্ন হয়েছে। 9টি বক্স কালভার্ট/ফুটব্রীজ নির্মাণ প্রায় 40% সম্পন্ন হয়েছে। 04টি ফোর্সমোড নলকূপ স্থাপন কাজ 30% সম্পন্ন হয়েছে। 08টি ফোর্সমোড নলকূপের ভূগর্ভস্থ ইউপিভিসি সেচনালা নির্মাণ প্রায় 50% সম্পন্ন হয়েছে। 12টি এলএলপি’র ভূগর্ভস্থ ইউপিভিসি সেচনালা নির্মাণ কাজ প্রায় 75% সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, স্থানীয় প্রশাসন/স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ- কে সম্পৃক্ত করে খাল খননের কাজ উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ,এলজিইডি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ের মাধ্যমে করতে হবে।

 স্থানীয় প্রশাসন/স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ- কে সম্পৃক্ত করে এবং উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাল খননসহ অন্যান্য প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়।    

নির্বাহী প্রকৌশলী,

বিএডিসি (সেচ), হবিগঞ্জ।

17

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর :

নির্বাহী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ জানান যে, সরকারী বরাদ্দ অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।     

উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিদর্শন করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী,

জনস্বাস্থ্য প্রকৌ: অধি:, হবিগঞ্জ।

শিক্ষা বিভাগঃ

 18

বৃন্দাবন সরকারি কলেজ :

অধ্যক্ষ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জে এর  প্রতিনিধি জানান , বৃন্দাবন কলেজের পাশে সব সময় বখাটেদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। তাছাড়া কলেজের সম্মুখে ময়লা আবর্জনা ফেলে নোংরা পরিবেশ তৈরী করা হচ্ছে। তিনি বখাটেদের ব্যাপারে এবং ময়লা আবর্জনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

(ক) বখাটেদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ) কলেজের সম্মুখের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয় ।

 (ক)পুলিশ সুপার,

      হবিগঞ্জ।

(খ) মেয়র,হবিগঞ্জ পৌরসভা,হবিগঞ্জ।

           
 

 

19

সরকারি মহিলা কলেজ :

অধ্যক্ষ, সরকারি মহিলা কলেজ, হবিগঞ্জ এর  প্রতিনিধি জানান , মহিলা কলেজ, সরকারি বৃন্দাবন কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহরের পেছনের রাস্তায় অবস্থিত। শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃন্দাবন কলেজের পরীক্ষা মহিলা কলেজে এবং মহিলা কলেজের পরীক্ষা সরকারি বৃন্দাবন কলেজে হয়ে থাকে। স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে হবিগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ এবং হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তিনি আরো বলেন, আগামী 02 এপ্রিল/2018 তারিখ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হবে কিন্তু উক্ত রাস্তায় মোটর সাইকেল  দ্রুত গতিতে চললে যে  কোন সময় মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি রাস্তায় যাতে দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল না চলতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

 ব্যাক রোডে মোটর সাইকেল যাতে দ্রুত গতিতে না চলতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

পুলিশ সুপার,হবিগঞ্জ।

20

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ:

জেলা শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ জানান , জেলায় মাল্টিমিডিয়া প্রাপ্ত ২৬৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০5টি প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সক্রিয় রয়েছে এবং অবশিষ্ট 58টি প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া চালু করার উদ্যোগ অব্যাহত আছে। মাধবপুর উপজেলায় শতভাগ মাল্টিমিডিয়া ক্লাস সক্রিয় রয়েছে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন ,কোন কোন উপজেলায় কতটি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস বাকী রয়েছে তার হাল নাগাদ তথ্য তৈরী করতে হবে। 205টি মাল্টিমিডিয়া প্রকৃতপক্ষে সক্রিয় রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। তাছাড়া তিনি আরো বলেন সকল বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতসহ নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা মনিটর করতে হবে। তাছাড়া তিনি বেসরকারি উদ্যোগে অবশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া চালু করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

(ক) মাল্টিমিডিয়া সমূহ প্রকৃতপক্ষে সচল রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য এবং অবশিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহে বেসরকারি উদ্যোগে মাল্টিমিডিয়া চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ)  সকল বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতসহ কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ  করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক)উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( সকল)/ জেলা  শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

(খ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল), হবিগঞ্জ/জেলা শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ।

21

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ :

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ   বলেন , বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 606 টি ল্যাপটপ রয়েছে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, ল্যাপটপগুলো সচল রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। সংখ্যার ভিত্তিতে বিচার করলে চলবে না। অকেজো ল্যাপটপগুলো পরিবর্তন করতে হবে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো যে এলাকায় রয়েছে সে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া চালুর উদ্যোগ নিতে হবে।

(ক)ল্যাপটপগুলো সচল রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়

 

 

 

(ক)উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( সকল ) /জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, হবিগঞ্জ।

 

22

স্বাস্থ্য বিভাগঃ

সিভিল সার্জনের  কার্যালয় :

সিভিল সার্জন, হবিগঞ্জ এর প্রতিনিধি  জানান , মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে 250 শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালের নতুন ভবনে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ক্লাস চলছে। মেডিকেল কলেজে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। তিনি আরো বলেন 250 শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন হলেও হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে 50 শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জনবল এবং যন্ত্রপাতি দিয়ে। উক্ত হাসপাতালে সার্জারী কনসালটেন্ট এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ নেই। তারপরও প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন ডাক্তার স্বল্পতাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র এবং যন্ত্রপাতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে এবং ভিডিও কনফারেন্সে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি 250 শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল অনুযায়ী জনবল এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ হলে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত হবে মর্মে আশা প্রকাশ করেন। তাছাড়া তিনি বলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের নিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গুরুতর অসুস্থ রোগী ব্যতিত সাধারণ রোগী জেলা হাসপাতালে প্রেরণ না করলে এ সমস্যার অনেক সমাধান হবে। তাছাড়া তিনি ডাক্তার স্বল্পতাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র এবং যন্ত্রপাতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে পত্র প্রেরণসহ তাগিদপত্র প্রেরণের জন্য এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে অনুলিপি প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি যে সকল ইউনিয়নে  01টি করে কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে,  সেখানে আরো প্রয়োজন আছে কি না তা জানানোর জন্য অনুরোধ করেন।

 (ক)মেডিকেল কলেজে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের উপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের নিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ)উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গুরুতর অসুস্থ রোগী ব্যতিত সাধারণ রোগীদের জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(গ) ডাক্তার স্বল্পতাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র এবং যন্ত্রপাতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে পত্র প্রেরণসহ তাগিদপত্র প্রেরণের জন্য এবং অনুলিপি জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়

(ঘ) যে সকল ইউনিয়নে 01টি করে কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে ,সেখানে আরো প্রয়োজন আছে কি না তা জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক)সিভিল সার্জন,  

     হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

(খ)সিভিল সার্জন,  

     হবিগঞ্জ।

 

 

(গ)সিভিল সার্জন,  

     হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

(ঘ) সিভিল সার্জন,  

     হবিগঞ্জ।

 

 

২3

হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল :

তত্ত্বাবধায়ক আধুনিক সদর হাসপাতাল এর প্রতিনিধি জানান , ডাক্তার এবং জনবল সমস্যা হলেও হাসপাতালে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা ও হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম/মনিটরিং অব্যাহত আছে।

জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার/নার্স/স্টাফদের সমন্বয় থাকতে হবে। এ বিষয়ে নজর রাখতে হবে।   

হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা ও রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদানে ডাক্তার/নার্স/অন্যান্য স্টাফদের  কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক,

আধুনিক সদর হাসপাতাল, হবিগঞ্জ।

 

 

২4

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরঃ

উপ-পরিচালক , পরিবার পরিকল্পনা, হবিগঞ্জ জানান হবিগঞ্জ জেলার ৩৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হতে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান অব্যাহত আছে। তাছাড়া তিনি বিগত 7-8 মার্চ/18 তারিখে নিমতলায় অনুষ্ঠিত এসডিসিসি পরিবার পরিকল্পনা মেলায় সকলকে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন নিরাপদ প্রসুতি সেবায় হবিগঞ্জ জেলা  বর্তমানে 1ম স্থানে রয়েছে।

রোগীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখার অনুরোধ করা হয় । তাছাড়া নিরাপদ প্রসুতি সেবায় হবিগঞ্জ জেলার 1ম স্থান ধরে রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচালক,  পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, হবিগঞ্জ। 

কৃষি উৎপাদন এবং এ সংক্রান্ত বিভাগসমূহ :

25

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরঃ

উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ জানান , এ জেলার 9(নয়)হাজার হেক্টর জমিতে শাক সবজি এবং 1 লক্ষ 20 হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তিনি আরো বলেন বিগত বছর বোরো ফসল আবাদ হয়নি এমন 5 হাজার 25 হেঃ জমিতে এ বছর আবাদ হয়েছে । তাছাড়া ফলনও অত্যন্ত ভাল হয়েছে। সময় মতো ফসল কাটা সম্ভব হবে মর্মে  আশা করা যাচ্ছে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাঁধ সংস্কার/ মেরামত সঠিক সময়ে সম্পন্নের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন এ জেলায় কোন হর্টিকালচার সেন্টার নেই। সর্বোচ্চ 5 একর খাস জায়গা ফেলে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কর্তৃক হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে জানান।  জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন , বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি কাজে  আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং সম্ভাব্য সকল কৃষি জমি আবাদ করার জন্য কৃষকদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। কোন অবস্থাতেই বোরো জমির ফসল যাতে নষ্ট না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাঁধ সংস্কার/মেরামত দ্রুত সম্পন্নের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি হর্টিকালচার সেন্টার নির্মাণের জন্য খাস জমির তথ্য সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন এ জেলায়  সার সরবরাহে যাতে কোন সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

(ক)বিভিন্ন জাতের শাক-সবজির উৎপাদনসহ সকল ধরনের বোরো জমির ফসল যাতে নষ্ট না হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।   

(খ)পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাঁধ সংস্কার/ মেরামত সঠিক সময়ে সম্পন্নের জন্য অনুরোধ করা হয় ।

 

(গ) হর্টিকালচার সেন্টার নির্মাণের জন্য খাস জমির তথ্য সরবরাহের জন্য অনুরোধ করা হয় ।

 

 

(ঘ) হবিগঞ্জ জেলায় সার সরবরাহে যাতে কোন সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(ক)উপ-পরিচালক,  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ।

(খ) নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, হবিগঞ্জ/উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল),হবিগঞ্জ।

(গ) উপ-পরিচালক,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ।

(ঘ)উপ-পরিচালক,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল),হবিগঞ্জ।

২6

খাদ্য বিভাগঃ

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত), হবিগঞ্জ জানান যে, এ জেলার ৮টি উপজেলার ১০টি খাদ্য গুদামে বর্তমানে 6354মে:টন চাল এবং 1079মে: টন গম (14.03.18 তারিখে) মজুদ রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য মজুদ গড়ার লক্ষ্যে জেলার খাদ্য চাহিদার বিপরীতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে চাহিদা প্রেরণ করার প্রেক্ষিতে চলাচল সূচী জারী হচ্ছে। তিনি বলেন অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ২৯ হাজার কৃষক পরিবারকে প্রতিমাসে বিনামূল্যে 30 কেজি করে চাল বিতরণ চলছে এবং এ সহায়তা প্রদান কার্যক্রম  এপিল/18 পর্যন্ত চলবে।  খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০/-টাকা কেজি দরে প্রত্যেক হতদরিদ্র ভোক্তাকে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে এবং এ সহায়তা কার্যক্রম এপ্রিল/2018 পর্যন্ত চলবে।  ভিজিডি কর্মসূচীর আওতায় এ জেলায় ১৭২১৭ জন দু:স্থ ও অসহায় মহিলাদের মধ্যে প্রতি মাসে ৫১৬.৫১০ মে.টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। 09 ওয়ার্ড বিশিষ্ট পৌরসভা সম্বলিত জেলা শহরে 05 জন ডিলারের মাধ্যমে 30 টাকা কেজি দরে চাল এবং 17 টাকা কেজি দরে আটা বিক্রয় কার্যক্রম চলছে। উক্ত কার্যক্রম তদারকি করার জন্য খাদ্য বিভাগ হতে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবারের মধ্যে এবং দু:স্থ ও অসহায় মহিলাদের মধ্যে ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় বিতরণকৃত চাল যেন কোন অবস্থাতেই ব্যবসায়ীদের নিকট কালোবাজারে বিক্রি না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে এবং কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে।

(ক) সরকারি সহায়তা কার্যক্রম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ) বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবারের মধ্যে এবং দু:স্থ ও অসহায় মহিলাদের মধ্যে ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় বিতরণকৃত চাল যেন ব্যবসায়ীদের নিকট কালোবাজারে বিক্রি না হয় সে বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করার জন্য অনুরোধ করা হয়। 

উপজেলা চেয়ারম্যান (সকল)/উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল)/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, হবিগঞ্জ।

         
 

 

 

 

২7

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরঃ

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, হবিগঞ্জ  জানান যে,জনগণ যাতে নিরাপদ মাংস পায় তার জন্য প্রাণিসম্পদ বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন  জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলছে । জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ  বন্যার সময় বিকল্প পশু খাদ্যের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

 জেলার প্রাণিসম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,হবিগঞ্জ।

 

২8

জেলা মৎস্য অধিদপ্তরঃ

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা,হবিগঞ্জ জানান যে, উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ চলছে। ইতোমধ্যে 277 জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া তিনি আরো জানান যে, হ্যাচারীগুলোকে লাইসেন্স এর আওতায় আনা হয়েছে।   

কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, হবিগঞ্জ। 

 

29

বন বিভাগ :

 

সহকারী বন সংরক্ষক, হবিগঞ্জ জানান যে, এ জেলায় মোট ২৩০টি করাত কল রয়েছে। তন্মধ্যে ১৭৬টি করাত কল বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ৫4টি রীট মামলাভূক্ত করাত কলের মধ্যে 18 টি কলের  রীট নিষ্পত্তি হওয়ায়  উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন  অবৈধ করাতকল গুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।   

অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

সহকারী বন সংরক্ষক, হবিগঞ্জ।    

 

সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানকারী বিভাগসমূহ:

 

       

 

30

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরঃ

 

উপ-পরিচালক (চ:দা:), যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ এর প্রতিনিধি জানান যে, এ বিভাগের আওতায় বেকার যুবক/যুবতীদের আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কম্পিউটার, পোষাক তৈরী, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণসহ   নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত আছে।   

বেকার যুবক/যুবতীদের আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচালক,

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ।

 

       

 

৩1

সমাজসেবা অধিদপ্তর :

 

উপ-পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ জানান যে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় 2017-18অর্থ বছরের জন্য এ জেলায় বয়স্কভাতা উপকারভোগীর সংখ্যা-52072 জন, প্রতিবন্ধী ভাতা উপকার-ভোগীর সংখ্যা-12466 জন, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতা উপকারভোগীর সংখ্যা-18042 জন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি উপকারভোগীর সংখ্যা-1314 জন। তাদের ভাতা বিতরণ অব্যাহত আছে। দলিত-হরিজন ও বেদে ভাতা উপকারভোগীর সংখ্যা-877 জন, দলিত-হরিজন ও বেদে শিক্ষা উপবৃত্তি উপকারভোগীর সংখ্যা-122জন, হিজরা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ভাতা উপকারভোগীর সংখ্যা-03জন এবং হিজরা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শিক্ষাবৃত্তি উপকারভোগীর সংখ্যা-01 জন। তাদের ভাতা বিতরণ অব্যাহত আছে। তিনি আরো বলেন ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় ২০১7-১8 অর্থ বছরে 218 জনের আবেদন সদর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে এবং উক্ত অর্থ বছরে 1ম কিস্তিতে এ ধরনের 26 জন রোগীর 50,000/-টাকা হারে 26টি চেক পাওয়া গেছে এবং যথানিয়মে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর, চুনারুঘাট, বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলাধীন চা-বাগান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ‘খাদ্য ও পণ্য সহায়তা’ কার্যক্রমের আওতায় বিগত অর্থ বছরে ৫,৭৪৮ জন শ্রমিকের মাঝে 28740000-/ টাকার খাদ্য ও পণ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। চলতি 2017-18 অর্থ বছরে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি-2013 এর আওতায় এ পর্যন্ত জরিপকৃত প্রতিবন্ধীর সংখ্যা 31093 জন। ডাক্তার কর্তৃক শনাক্তকৃত প্রতিবন্ধীর সংখ্যা 23988 জন, ডাক্তার কর্তৃক বাদ পড়া প্রতিবন্ধীর সংখ্যা 3621 জন।  এ পর্যন্ত 17904 টি প্রতিবন্ধী আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।  জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, হিজরা জনগোষ্ঠির ভাতা নিশ্চিত করতে হবে এবং এ জেলাকে অতি শীঘ্রই ভিক্ষুকমুক্ত  করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

(ক)প্রকৃত উপকারভোগী যাতে ভাতা পায় তা যাচাই-বাছাইপূর্বক ভাতা বিতরণ এবং চা-শ্রমিকদের ‘খাদ্য ও পণ্য সহায়তা’ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বিতরণের স্বার্থে মনিটরিং অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

(খ)হিজরা জনগোষ্ঠির ভাতা নিশ্চিত করার জন্য এবং এ জেলাকে অতি শীঘ্রই ভিক্ষুকমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর/  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল),হবিগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৩2

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) :

 

উপ-পরিচালক, বিআরডিবি, হবিগঞ্জ জানান যে, দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে কৃষি ঋণ, ক্ষুদ্রঋণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিআরডিবি‘র মাধ্যমে 11টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচীর আওতায় এ যাবৎ 2৯03টি সমিতি/দল গঠন করা হয়েছে যার সদস্য সংখ্যা 75,344 জন। ২০১7-১8 অর্থ বছরে আয় বর্ধনমূলক কর্মকান্ডে 1,600 জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি/২০১8 খ্রি: পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিভূত ঋণ বিতরণ 11,990.68 লক্ষ টাকা এবং ক্রমপুঞ্জিভূত ঋণ আদায় হয়েছে 10569.58 লক্ষ টাকা। ঋণ আদায়ের হার 88%। বিআরডিবি’র আওতায় জাইকার অর্থায়নে অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প-৩ এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া, লস্করপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নে রাস্তা ইট সলিং ও নলকূপ স্থাপন সংক্রান্ত ১১টি জিসি স্কীম বাস্তবায়িত হয়েছে এবং মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ও ছাতিয়াইন ইউনিয়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরো বলেন যে, সরকারের অগ্রাধিকারভূক্ত ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের আওতায় ফেব্রয়ারি/২০১8 খ্রি: পর্যন্ত 1287টি সমিতি গঠন করা হয়েছে, যার সদস্য সংখ্যা 57325 জন। 2017-18 অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি/2018খ্রি: মাস পর্যন্ত মোট সঞ্চয় আদায় হয়েছে 1921.23 লক্ষ টাকা এবং মোট ঋণ বিতরণ করা হয়েছে 6985.85 লক্ষ টাকা। মোট ঋণ আদায় হয়েছে 3542.18 লক্ষ টাকা।

জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। এ প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের স্বার্থে  মনিটরিংসহ  সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে।

(ক) দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে কৃষি ঋণ, ক্ষুদ্র ঋণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিআরডিবি‘র মাধ্যমে বাস্তবায়িত কার্যক্রমের মনিটরিং অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

 

(খ) ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের স্বার্থে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় নিয়মিতভাবে আলোচনা এবং মনিটরিংসহ সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য  অনুরোধ করা হয়।

উপজেলা চেয়ারম্যান (সকল)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল)/ উপপরিচালক,

বিআরডিবি,হবিগঞ্জ

 

সেবা প্রদানকারী বিভাগসমূহ:

 

33

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড :

 

নির্বাহী প্রকৌশলী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, হবিগঞ্জ সভায় উপস্থিত না থাকায় এ বিভাগের কোন আলোচনা হয়নি। 

হালনাগাদ তথ্য সহ সভায় নিয়মিত  উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী  প্রকৌশলী,

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, হবিগঞ্জ।

 

৩4

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিঃ

 

জি. এম, হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানান , ফেব্রুয়ারি/2018 খ্রি: মাসে আবাসিক-3734টি, বাণিজ্যিক-207টি, শিল্প-05টি, সেচ -54টি, ও সিআই/অন্যান্য-58টিসহ মোট 4058টি নতুন সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলাধীন বিভিন্ন এলাকায় নতুন লাইন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। নতুন লাইন নির্মাণ এর পাশাপাশি মাধবপুর,হবিগঞ্জ(বিসিক) ,বাহুবল ও আজমিরীগঞ্জ এ 4 টি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণ চলছে।

তিনি পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির আওতাধীন বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্চ/2018 পর্যন্ত মোট 1,21,89,729.00( এক কোটি একুশ লক্ষ উননব্বই হাজার সাতশত উনত্রিশ) টাকা বিদ্যূৎ বিল বকেয়া রয়েছে মর্মে অবহিত করেন। তিনি আরো বলেন পবিস এর আওতাধীন প্রত্যেক সরকারী দপ্তরকে বিদ্যুৎ বিলের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ এবং বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে বিদ্যূৎ বিল সময় মতো পরিশোধ না করলে সমিতির কার্যক্রম ব্যাহত হবে । তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের বকেয়া বিদ্যূৎ বিল দ্রুত পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করেন।

(ক)বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

 

(খ)সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের বকেয়া বিদ্যূৎ বিল দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয় ।

(ক)জি এম, হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, হবিগঞ্জ।

 

 

(খ) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ।

 

35

জালালাবাদ গ্যাস :

ম্যানেজার, জালালাবাদ গ্যাস, হবিগঞ্জ জানান ফেব্রুয়ারি/2018খ্রি: মাসে বিধিবহির্ভূতভাবে গ্যাস সংযোগ পরিলক্ষিত না হওয়ায়  কোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন হয়নি। তবে গ্যাস বিল বকেয়ার দায়ে 29 জন গৃহস্থালী ও 02 জন বাণিজ্যিক গ্রাহকসহ মোট 31 জন  গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং 29 জন বকেয়া গৃহস্থালী গ্রাহকের মধ্যে 23 জন এবং পূর্ববর্তী মাসের 04 জন গৃহস্থালী গ্রাহকসহ মোট 27 জন গ্রাহক বকেয়া গ্যাস বিল পরিশোধ করায় উক্ত 27 জন গ্রাহকের গ্যাস  পুনঃসংযোগ প্রদান করা হয়েছে।

অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান  অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

ম্যানেজার, জালালাবাদ গ্যাস, হবিগঞ্জ।

৩6

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস :

সহকারী পরিচালক, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, হবিগঞ্জ জানান ,ফেব্রুয়ারি/২০১8 মাসে 2464টি আবেদনের মধ্যে 2102টি সাধারণ ও 362টি জরুরি পাসপোর্টসহ মোট 2464 টি পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে এবং এ খাতে 83,97,000.00/- টাকা  সরকারি রাজস্ব আয় করা হয়েছে। 

দালালমুক্ত পরিবেশে পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ/বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়।    

সহকারী পরিচালক, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, হবিগঞ্জ।

৩7

ফায়ার সার্ভিস ও  সিভিল ডিফেন্স :

   

উপ-সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, হবিগঞ্জ জানান , এ জেলায় ইতোমধ্যে নবীগঞ্জ , শায়েস্তাগঞ্জ, লাখাই, চুনারুঘাট, বানিয়াচং ও বাহুবল উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন  হয়েছে। বর্তমানে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ও জমি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে তবে নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ফায়ার ষ্টেশন নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ / উপ-সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস, হবিগঞ্জ।

               
 

 

 

 

 

৩8

জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর :

   

জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, হবিগঞ্জ বলেন , সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং পৌরসভা এলাকার প্রচলিত মাদার ল্যাকটেটিং ভাতা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে । তাছাড়া মহিলাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  তিনি 20.03.18 তারিখ থেকে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল)কে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেন। 

সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভাতাদি প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে স্বচ্ছতার মাধ্যমে বিতরণসহ মনিটরিং করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, হবিগঞ্জ।

39

ইসলামিক ফাউন্ডেশন :

উপ-পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হবিগঞ্জ জানান , সরকারীভাবে হজ্জ সম্পাদনের জন্য চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন এবং অর্থ জমাদানের শেষ তারিখ ছিল 11 মার্চ 2018। সরকার হজ্জ যাত্রীদের সুবিধার্থে 18 মার্চ 2018 পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করেছেন। তিনি সরকারিভাবে হজ্জ্ব পালনে ইচ্ছুক সকলকে চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন এবং অর্থ জমাদানে  জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ  করেন।

সরকারিভাবে হজ্জ্ব পালনে ইচ্ছুক সকলকে চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন এবং অর্থ জমাদানে  জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য অনুরোধ  করা হয়।

বিভাগীয় প্রধান (সকল)

 

 

 

নিয়মিত আলোচ্য বিষয়:

40

জেলা আইসিটি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল বাংলাদেশ (ভিশন 2021):

আইসিটি সংক্রান্ত বিষয়াবলি (ন্যাশনাল নেটওয়ার্কের ব্যবহার) :

সহকারী কমিশনার (আইসিটি) বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাংলা গভ.নেট এবং ইনফো-সরকার-২ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে 18,130টি সরকারি দপ্তরকে সরকারি ইন্ট্রা-নেটওয়ার্ক এর আওতায় আনা হয়েছে। সকল সরকারি ওয়েব পোর্টাল ও ই-ফাইলিং সিস্টেম ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন সেবা জাতীয় ডাটা সেন্টার হতে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, টিটিসি, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং এইচএসটিটিআই-এ একটি করে মোট ৮০১টি ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম প্রদান করা হয়েছে ও সকল সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য নিজস্ব মোবাইল অ্যাপস্ “আলাপন” তৈরী করা হয়েছে। এ জেলার সকল কর্মকর্তাকে ‘আলাপন’ অ্যাপস্ ডাউনলোড করত: ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করেন।  

সকল সরকারি ওয়েব পোর্টাল ও ই-ফাইলিং সিস্টেম ইত্যাদি অ্যাপলিকেশনসমূহের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ‘আলাপন’ অ্যাপস্ ডাউনলোড করে ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও সদস্য সচিব, জেলা আইসিটি কমিটি/ উপজেলা নির্বাহী  অফিসার (সকল)/ বিভাগীয় প্রধান (সকল), হবিগঞ্জ।

41

ওয়েব পোর্টাল (www.habiganj.gov.bd):

সহকারী কমিশনার (আইসিটি) জানান , ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের পোর্টালসমূহ হালনাগাদকরণ এবং নিয়মিত তথ্যাদি সন্নিবেশকরণ আবশ্যক।  

ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল হালনাগাদকরণ এবং নিয়মিত তথ্যাদি সন্নিবেশকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় প্রধান (সকল), হবিগঞ্জ।

42

জেলা -সেবা কেন্দ্র ফ্রন্ট ডেস্ক:

 

সহকারী কমিশনার (আইসিটি) জানান যে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল শাখা ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সকল ধরণের আবেদন জেলা ই-সেবা কেন্দ্রে গ্রহণ ও নকল/পর্চা ই-সেবা কেন্দ্র হতে সরবরাহ করা হচ্ছে।  

সেবা প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অনুরোধ করা হয়। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও সদস্য সচিব, জেলা আইসিটি কমিটি, হবিগঞ্জ।

৪3

পোর্টাল ফেসবুক সংক্রান্ত :

সহকারী কমিশনার (আইসিটি) জানান যে, হবিগঞ্জ ওয়েব পোর্টালে নিজ নিজ তথ্য আপলোড ও আপডেট করা এবং স্ব স্ব অফিসের ফেসবুক পেইজ জেলা প্রশাসকের ফেইসবুক পেইজ এর সাথে লিংক করে এ কার্যালয়কে অবহিত করতে হবে। এছাড়া এ জেলার সকল দপ্তরসহ উপজেলার সকল দপ্তরের ফেইসবুক পেইজ থাকতে হবে।

ওয়েব পোর্টালে নিজ নিজ তথ্য আপলোড/আপডেট করা এবং ফেসবুক একাউন্ট ও ফেসবুক পেইজ খুলে লিংক তৈরি করার জন্য  অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় প্রধান (সকল),হবিগঞ্জ/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ।

44

তথ্য অধিকার আইনঃ

সহকারী কমিশনার (সাধারণ) বলেন যে, 2009 সনের তথ্য অধিকার আইনের বিধানাবলীর আলোকে তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তথ্য প্রাপ্তি ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় প্রধান (সকল), হবিগঞ্জ

         
 

 

 

 

 

 

 

৪5

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত :

সহকারী কমিশনার (সাধারণ) জানান , জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে জেলার সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এটুআই প্রোগ্রাম কর্তৃক ফেসবুকে ‘জেলা ব্র্যান্ডিং’ গ্রুপ (www.fb.com/groups/districtbranding bangladesh) তৈরী করা হয়েছে। এই ফেসবুক গ্রুপে  নিজ জেলার ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত বিষয় নিয়মিত পোস্ট করার পাশাপাশি গ্রুপে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এছাড়া এটুআই প্রোগ্রাম ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ফেসবুকে ‘পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন বাংলাদেশ’ গ্রুপ (www.fb.com/groups/publicserviceinnovationlog) খোলা হয়েছে।   এ গ্রুপে উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ যুক্ত আছেন। কিন্তু এ বিভাগের জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তাদের এ গ্রুপে সরব উপস্থিতি/কার্যক্রম আশানুরুপ নয়। এ গ্রুপে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জরুরিভিত্তিতে যুক্ত হওয়াসহ চলমান পাইলটিং উদ্যোগ, উদ্ভাবন বাস্তবায়নে সমস্যা/চ্যালেঞ্জ ও নতুন নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা এবং মতামত প্রদানের জন্য বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

‘পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন বাংলাদেশ’ ও ‘জেলা ব্র্যান্ডিং’ গ্রুপে জেলা-উপজেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সংযুক্ত হওয়া এবং  জেলার ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করার জন্য অনুরোধ করা হয়। 

 

বিভাগীয় প্রধান(সকল), হবিগঞ্জ।

46

পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার সংক্রান্ত:

সহকারী কমিশনার (সাধারণ) বলেন যে, ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, 2010 এ  ধান,গম,ভূট্টা, চিনি, চাল ইত্যাদি পণ্য সংরক্ষণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। 

নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, হবিগঞ্জ/ মূখ্য পরিদর্শক, পাট অধি:,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

৪7

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, 2013:

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, 2013 এর সঠিক প্রয়োগ সংক্রান্ত সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা মহোদয়ের 01/10/2014 খ্রিঃ তারিখের পবম/পদূনি-1/বিবিধ/ 2/2014-189নং ডিও পত্রের আলোকে আইনটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।   

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, 2013 এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, হবিগঞ্জ/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার(সকল),হবিগঞ্জ

 48

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ :  

নিরাপদ খাদ্য আইন,2013-এর মাধ্যমে উৎপাদন, আমদানি ও বিপণনসহ সকল স্তরে খাদ্য নিরাপদ রাখা নিশ্চিতকরণ; খাদ্যের নিরাপদ মান নির্ধারণে অসমতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয়ে ভোক্তা, খাদ্য উৎপাদনকারী ও খাদ্য ব্যবসায়ী তথা সর্বস্তরের জনগণকে অধিকতর সচেতন করা এবং সচেতনতাকে অনুশীলনে পরিণত করা আবশ্যক। এ বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় নিয়মিত আলোচনা/গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে  অবহিতকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ

49

সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ :

সহকারী কমিশনার (সাধারণ) বলেন যে,বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ’ এর ৫টি অংশ-(Component) যথাক্রমে Education, Immunization, Contraception, Nutrition, Sanitation সংক্রান্ত কার্যক্রম  সদর উপজেলাধীন 9নং নিজামপুর ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে । এ সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ বলেন যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে সদর উপজেলার 9নং নিজামপুর ইউনিয়নে বাস্তবায়িত ‘সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ’ কার্যক্রমকে অনুসরণপূর্বক তা অন্যান্য সকল উপজেলায় কমপক্ষে 02টি  ইউনিয়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

‘সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ’ কার্যক্রম প্রত্যেক উপজেলায় কমপক্ষে 02টি ইউনিয়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য এবং গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রতি মাসের ০১ তারিখের মধ্যে এ কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

উপজেলা চেয়ারম্যান (সকল)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ।

50

বিবিধ:

অর্থনৈতিক অঞ্চল

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)-এর 17/12/2015খ্রিঃ তারিখের 03.759.016. 00.00.020.2015-1471নং স্মারকে জারীকৃত পত্রের নির্দেশনা মোতাবেক হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার চান্দপুর চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করার লক্ষ্যে যথাযথ উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়।      

ইকোনমিক জোন বাস্তবায়নে  সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করা হয়।   

পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ/ উপজেলা চেয়ারম্যান/  উপজেলা নির্বাহী অফিসারচুনারুঘাট

         
 

 

51

পর্যটন উন্নয়ন:

   

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) ও সদস্য সচিব, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, ঢাকা এর 31.12.17 তারিখের 837 নং স্মারকপত্র সভায় উপস্থাপন করেন। সভায় অবহিত করা হয় যে, হবিগঞ্জ জেলাকে পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার জন্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যটনকে এক জেলা এক পণ্য হিসাবে মনোনীত করা হয়েছে। ‘’পাহাড় টিলা হাওর বন হবিগঞ্জের পর্যটন‘‘ এই স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জকে পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার  কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

‘’পাহাড় টিলা হাওর বন হবিগঞ্জের পর্যটন‘‘ এই স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জকে পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার  কার্যক্রম  ত্বরান্বিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

 বিভাগীয় প্রধান

 ( সকল) উপজেলা চেয়ারম্যান/  উপজেলা নির্বাহী অফিসার, (সকল), হবিগঞ্জ।

52

প্রবাসী কল্যাণ সংক্রান্ত :

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও সদস্য সচিব , জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের16/11/2017খ্রি:তারিখের 49.00.0000.102.18.065.16-1295নং স্মারকের  পত্রে জানানো হয়েছে যে 14জুন 2017 তারিখে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াসহ 14 টি দেশে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে যৌক্তিক অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।  সে লক্ষ্যে সৌদি আরবের অভিবাসন ব্যয় যৌক্তিক সীমায় সর্বোচ্চ ১,৬৫,০০০/-টাকা, মালয়েশিয়া কারখানা শ্রমিকের 1,60,000/- কৃষি শ্রমিকের 1,40,000/-, লিবিয়া-1,45,780/- বাহরাইন-97,780/- সংযুক্ত আরব আমিরাত-1,07780/- কুয়েত-1,06,780/-সালতানাত অব ওমান- 1,00,780/- ইরাক-1,29,540/- কাতার-1,00,780/- জর্ডান-1,02,780/- মিশর-1,20,080/- রাশিয়া-1,66,640/-মালদ্বীপ-1,15780/- ব্রুনাই দারুস সালাম-1,20,780/- এবং লেবানন ,1,17,780/- টাকা ধার্য করা হয়েছে।  নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় বহুল প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয় এবং উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় আলোচনার জন্য অনুরোধ করা হয়।    

সৌদি আরবসহ উল্লেখিত অন্যান্য দেশের যৌক্তিক সীমায় ধার্যকৃত অভিবাসন ব্যয়ের বিষয়টি বহুল প্রচারের উদ্দেশ্যে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভার আলোচ্যসূচীতে অন্তর্ভূক্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

 

উপজেলা চেয়ারম্যান (সকল)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), হবিগঞ্জ।

 

 

 

জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ  উন্নয়ন সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি  আরো বলেন সঠিক উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে পরিচালনা করার কারণেই আজ বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রেখে আরো উন্নতির জন্য সকলে মিলে কাজ করতে হবে। তিনি 20-25 মার্চ/18 উপজেলা  এবং জেলা পর্যায়ে সেবা সপ্তাহ পালন করার জন্য অনুরোধ করেন।  তাছাড়া  তিনি উপজেলা, পৌরসভা ,ইউনিয়ন বাতায়ন এবং ডিজিটাল সেন্টার হালনাগাদ করণসহ নিয়মিত তথ্য আপলোডের জন্যও অনুরোধ করেন। তিনি বলেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  10 টি বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। ভিক্ষুকমুক্ত জেলা গঠনের লক্ষ্যে ভিক্ষুক জরিপ কার্যক্রমসহ তাদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে  তহবিল সংগ্রহ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। বিশেষ করে প্রকৌশল ও উন্নয়ন বিভাগসমূহকে তাঁর বিভাগের আওতাভূক্ত উন্নয়ন কাজের তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে । সকল উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

সভায় আর কোন আলোচ্য বিষয় না থাকায় সভাপতি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

 

 

(মাহমুদুল কবীর মুরাদ)

জেলা প্রশাসক

সভাপতি

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ

ফোন ০৮৩১ ৬২১০০

ফ্যাক্স ০৮৩১ ৬১২০৫

email: dchabiganj@mopa.gov.bd

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

স্মারক নং-05.46.3600.009.12.001.2018-  254    (১০০)                                                          তারিখ :   09 এপ্রিল 2018  

                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                          

সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলোঃ

01.মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 1), ঢাকা।

02.মূখ্য পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা।

03.সিনিয়র সচিব, অর্থবিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

04. সিনিয়র সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 4), ঢাকা।

05.সিনিয়র সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

06.সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

07.সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

08.সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

09.সচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণলয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

10.সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 4), ঢাকা।

11.সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

12.সচিব, সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, সেতু ভবন, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, বনানী, ঢাকা।

13.সচিব, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 4), ঢাকা।

14.সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

15.সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

16.সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

17.সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

18.সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

19.সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 3), ঢাকা।

20.সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত  মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 5), ঢাকা।

21.সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 4), ঢাকা।

22.সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ; ডাক, টেলিযোগাযোগ  ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

23.সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ; ডাক, টেলিযোগাযোগ  ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

24.সচিব, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 8), ঢাকা।

25.সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

26.সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

27.সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 7), ঢাকা।

28.সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়, রেল ভবন, 16 আব্দুল গণি সড়ক, ঢাকা।

29.সচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (ভবন নং 6), ঢাকা।

30.সচিব, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ১/আই, পরিবাগ, রমনা, ঢাকা।

31.বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট বিভাগ, সিলেট।

32.চেয়ারম্যান, বিটিসিএল, ৩৭/ই, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা।  

33.চেয়ারম্যান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা।

34.চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন, বিসিক, ঢাকা।

35.ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট, পুরাতন বন ভবন, 101 মহাখালী, ঢাকা-1212।

36.মহা-পরিচালক (অতিরক্তি সচিব), পাট অধিদপ্তর, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, 10, বীর উত্তম শহীদ আশফাকুল সামাদ সড়ক, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-1000।

37.মহা-পরিচালক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, ৫ কারওয়ান বাজার, ঢাকা।

38.মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মিরপুর, সেকশন-২, ঢাকা-১২১৬।

39.মহা-পরিচালক, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা, (বাড়ি-১০৩, সড়ক-১, বনানী, ঢাকা-১২১৩), পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

40.মহা-পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, আগারগাঁও, ঢাকা।

41.মহা-পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।

42.মহা-পরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা।

43.প্রকল্প পরিচালক, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, প্রবাসী কল্যাণ ভবন (লেভেল 13), 71-72 ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-1000।

 

 

  

  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)

সদস্য সচিব

   জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, হবিগঞ্জ

 

অনুলিপিঃ সদয় অবগতি/অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করা হলো।

01। পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ।

02। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, হবিগঞ্জ/ উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, হবিগঞ্জ।

0৩। সিভিল সার্জন, হবিগঞ্জ/ তত্ত্বাবধায়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল, হবিগঞ্জ।

04। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাঃ/রাঃ)/বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, হবিগঞ্জ।

05। চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, আজমিরীগঞ্জ/চুনারুঘাট/নবীগঞ্জ/বাহুবল/বানিয়াচং/মাধবপুর/লাখাই/হবিগঞ্জ সদর, হবিগঞ্জ।

06। নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত/স ও জ/এলজিইডি/বাপাউবো/বিউবো/জনস্বাস্থ্য/............................................, হবিগঞ্জ।

07। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আজমিরীগঞ্জ/চুনারুঘাট/নবীগঞ্জ/বাহুবল/বানিয়াচং/মাধবপুর/লাখাই/হবিগঞ্জ সদর, হবিগঞ্জ।

08। মেয়র/প্রশাসক, হবিগঞ্জ/নবীগঞ্জ/শায়েস্তাগঞ্জ/মাধবপুর/চুনারুঘাট/আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা, হবিগঞ্জ।

09। ...................................................................................................................................., হবিগঞ্জ।

ছবি


সংযুক্তি

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির  মার্চ/ ২০১৮খ্রি: মাসের সভার কার্যবিবরণী জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মার্চ/ ২০১৮খ্রি: মাসের সভার কার্যবিবরণী


সংযুক্তি (একাধিক)